ঢাকা, রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet দামুড়হুদায় সার সিন্ডিকেটে প্রশাসনের কঠোর আঘাত: ১৫০০ বস্তা অবৈধ সার জব্দ Headline Bullet পুজার ছুটি শেষে বাসায় ফিরে দেখেন অর্ধকোটি টাকাসহ স্বর্নলংকার চুরি Headline Bullet বিয়ের তিন সপ্তাহের মাথায় স্ত্রীর পলায়ন Headline Bullet প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবের পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারনা Headline Bullet দামুড়হুদায় টহলরত পুলিশকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা: ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মারুফ গ্রেপ্তার Headline Bullet কোটচাঁদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত নারী আসামি গ্রেফতার Headline Bullet মহেশপুর সীমান্তে ভারতীয় ৩০ প্যাকেট কীটনাশক উদ্ধার Headline Bullet ভারতের দিনে দুপুরে মাথা থেতলে বন্ধুকে হত্যা Headline Bullet মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় দুই বাংলাদেশি আটক Headline Bullet মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দর্শনা ডিলাক্স বাস খাদੇ পড਼ে নিহত ৩, চুয়াডাঙ্গার সুপারভাইজার রঞ্জু আর নেই!​

চিত্র যখন বিচিত্র, জীবন যেখানে যেমন!- অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি”:

bbccrimenews”:-আমরা কখনো ভাবি নাই এতোটা দিন ঘরে বসে থাকবো বা থাকতে হতে পারে!! যেদিন শেষ কোর্টে গিয়েছি মার্চ মাসের ২০ তারিখ। বাসায় এসে ভাবলাম নাহ নিজের কারণে বাড়ির অন্যদেরকে আতংকে রাখা যাবে না। যেই ভাবনা সেই কাজ। আমি আজ অবধি বাড়ির বাইরে যায় নাই। ইচ্ছা করলে যে ঘরে থাকা যায় তার প্রমাণ আমি দিয়েছি। একটি দিনের জন্যও অস্থির হই নাই। কিন্তু নিজেরা না হয় এভাবে চললাম।বাকিদের অবস্থা?চাকুরীওয়ালাদের গল্প শুনলে মনে হয় সরকারের জন্য তাদের জীবন বাজী, বাড়ি ভাড়ার চিন্তা নাই, মাথা পরিষ্কার, তাই পরিষ্কার মাথায় চাটুকারিতা ভালই জমে।আইন কর্মকর্তা যারা শুরু করেছে সেই ২০০৯ এ এখন অব্দি তারা বসে আছে। সরকারের ঘাড়ে স্বামী, বউ, বোন স্বপরিবারে। কিন্তু ভাব এমন যেন তারা সরকারের বড় ভাই-বোন..! শুধু চাকরি করে তাদের চলে না, জন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় বড় অংকের টাকা খেয়ে বিরোধিতা পর্যন্ত করে না। এ যেন মগের মুল্লুক…! কেউ তাদেরকে ভয়ে কিছু বলতে সাহস পায় না।এমন ও শোনা যায় বিভিন্ন কোর্ট এ তাদের আইনজীবী নিয়োজিত আছে নিজে না গিয়ে তাদের দিয়ে মামলা করিয়ে আনছে, আর মামলা চলাকালীন অভিনব পদ্ধতিতে বাইরে চলে যায়। আচ্ছা চলে গেলেই কি দায়িত্ব শেষ ? দায়িত্বে অবহেলার দায় কি তার ঘাড়ে বর্তায় না? আইনজীবীরা কি বোকার স্বর্গে বসবাস করে? আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি।না।এইযে আমি লিখছি কিন্তু আমার নাম বলতে হচ্ছে না আইনজীবীরা কিন্তু জানে এরা কারা। এই হয়েছে আমাদের আইনঙ্গনের টাকার খেলা। সরকারের চাকুরী করে তারা নাকি কোটি কোটি টাকার বাড়ি বানিয়েছে যা বাংলা সিনেমার নায়িকাদের বাড়ির আদলে গড়া। দাপটের সাথে চড়ে বেড়ায় পাজেরো গাড়িতে। উপঢৌকন দিয়ে নিজেদের পদ সুরক্ষা করে। চাঁদাবাজী তাদের জন্য নিত্ত নৈমিত্তিক বেপার।মনে পরে কতজনের কাছে গিয়েছিলেন চাকরিটার জন্য? মনে আছে চাকরিতে প্রমোশন দিচ্ছিল না আপনাদের অপকর্মের জন্য। তখন কার কার কাছে ধরনা দিয়েছিলেন? চাঞ্চল্যকর আমিন হুদার মামলার সময়ে নাকি অভিযোগ ছিল তার তাদের নামে মাফ সাফ চেয়ে ছিল বলে শোনা যায়। আসলে মাফিয়া ডনদের সাথে তাদের আত্মীয়তা বরাবরই ছিল আছে।আসলে শুরু করেছিলাম আইনজীবীদের নিয়ে কিন্তু শুরু হয়ে গেল তোষামোদকারীদের নিয়ে। আমার লিখার উদ্দেশ্য হল ছাদে বসে কাজ করলে সামাজিক দুরুত্ব বজায় থাকে না বা আমাদের মানসম্মান থাকে না বা কম্পিউটারম্যান এর পাশে বসে মামলার কাজ করলে কি করোনা কমবে নাকি বেশি আক্রান্ত হবে কিছু একটা ভাবুন। এসব আমি দেখেছি একটি ভিডিওতে। অতীব দুঃখের সাথে জানাচ্ছি আমি যদি এইসব ভিডিও পাই তাইলে বাংলাদেশের আনাচে কানাচের মানুষের কাছে আমাদের ভাবমূর্তি কোথায় যেতে বসেছে?সরকারের সব ডিপার্টমেন্ট যদি স্বল্প পরিসরে চলতে পারে আমার মনে হয় আইন-আদালত ও সেভাবে চলতে পারে অথবা সবকটি কোর্ট ভার্চুয়াল থাকলে আমরা,আমাদের আইনজীবী ভাই-বোনেরা সবাই মামলা করার সুযোগ পায়। আমাদের অন্যের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় না।শুনেছি কেউ কেউ নাকি চাঁদা উঠিয়ে টাকা বিলিবণ্টন করেছে। আসলে বিলিবণ্টনের নামে চাঁদাবাজি, বিলিবণ্টন যদি করতেই হয়, ত্রাণ যদি দিতেই হয়, তাইলে নিজের/নিজেদের কিছু নাই? প্রশ্ন থেকেই যায়, এসব স্বভাব মরলে ও যাবে না।পিতা মাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে চাঁদাবাজি নিয়ে জন্ম হয়েছে। কোন কোন AAG নাকি বেতন পাচ্ছে না। তাদের ও কান্নাকাটি করতে দেখেছি। প্রশ্ন এ কেমন ভাবে চলছে আইনঙ্গণ? AAG যদি থাকতে পারে ,তাইলে বেতন কেন পাচ্ছে না? বোন-বোন সরকারের চাকরি করে আর কিছু নতুন আত্মীয় স্বজন এসেছে শোনা যায়। শোনা যায় রাত অবধি কোর্ট এ বসে চলে অবৈধ লেনদেন। কোটি কোটি টাকা দিয়ে বিদেশে পাউন্ড খরচ করে ছেলে মেয়ে পড়ায় টাকা কিভাবে আসে? বেতনের টাকা? চেষ্টা করলেই দেখতে পাবেন দুর্নীতির কোন পর্যায়ে আছি আমরা। আমার বিশ্বাস এভাবে চলবে না, চোরের দশ দিন সাধুর কিন্তু এক দিনই যথেষ্ট।লেখিকা: অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি, সাবেক ট্রেজারার, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, বার এসোসিয়েশন ও সভাপতি, রুলা।


     এই বিভাগের আরো খবর